প্রচ্ছদ

নিখোঁজ ডিবিসিসিআই সভাপতির মরদেহ মিললো বুড়িগঙ্গায়

২৬ জুলাই ২০১৬, ২১:০২

Sundaysylhet.com

সানডে সিলেট ২৬ জুলাই ২০১৬ : নিখোঁজের তিনদিন পর ডাচ্-বাংলা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের (ডিবিসিসিআই) সভাপতি হাসান খালেদের মরদেহ বুড়িগঙ্গা নদী থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৬ জুলাই) বেলা ১২টার দিকে খোলামোড়া লঞ্চঘাট বরাবর মাঝ নদী থেকে কেরানীগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ ভাসমান অবস্থায় তার মরদেহটি উদ্ধার করে। পরে নিহত হাসান খালেদের ছোট ভাই মুরাদ হাসান ঘটনাস্থলে এসে মরদেহ শনাক্ত করেন।

এ সময় তিনি বলেন, পরনের কাপড়, হাত ঘড়ি, গাড়ির চাবি, জুতা ইত্যাদি দেখে আমরা নিশ্চিত হয়েছি এটি আমার ভাই হাসান খালেদের মরদেহ।

এদিকে নিখোঁজ ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধারে সংবাদ পেয়ে কেরানীগঞ্জ মডেল থানা সার্কেল এএসপি মাহবুবুর রহমান ও ধানমন্ডি থানা ওসি নূরে আযম মিয়া ঘটনাস্থলে আসেন। পরে বিকেলে এএসপি মাহবুবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে মরদেহটি রাজধানীর ধানমন্ডি থেকে নিখোঁজ ব্যবসায়ী হাসান খালেদের বলে নিশ্চিত করেন।

এসময় তিনি আরো বলেন, ময়নাতদন্তের পর মরদেহ ধানমন্ডি থানা পুলিশের মাধ্যমে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এ বিষয়ে ধানমন্ডি থানা পুলিশই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

কেরানীগঞ্জ মডেল থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) ইলিয়াস হোসেন বাংলানিউজকে জানান, স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে বেলা ১২টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। মরদেহের পকেটে থাকা ভিজিটিং কার্ড পেয়ে এটি নিখোঁজ ব্যবসায়ী হাসান খালেদের বলে সন্দেহ হয়। পরে ভিজিটিং কার্ডে থাকা টেলিফোন নম্বরে যোগাযোগ করে মরদেহ উদ্ধারের বিষয়ে জানানো হয়। এরপর খালেদের ছোট ভাই মুরাদ হাসান ও স্বজনরা এসে তা শনাক্ত করেন। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মিটফোর্ড হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

স্বজনদের বরাত দিয়ে ধানমন্ডি থানার ওসি নূরে আযম মিয়া জানান, শনিবার (২৩ জুলাই) সকালে ধানমন্ডির ৪/এ রোডের ৪৫ নম্বর বাসা থেকে ওষুধ আনার জন্য বের হয়ে নিখোঁজ হন ব্যবসায়ী হাসান খালেদ। এ ঘটনায় ওইদিন রাতে ধানমন্ডি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন হাসান খালেদের শ্যালক শরীফুল আলম। জিডিতে হাসান খালেদকে অপহরণ করা হতে পারে বলে আশঙ্কার কথা উল্লেখ করা হয়।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ধানমন্ডির বাসায় স্ত্রী ও এসএসসি পড়ুয়া একমাত্র মেয়ে জেবাকে নিয়ে বাসবাস করতেন তিনি। কাছেই জিগতলায় পৈত্রিক বাড়িতে থাকেন তার অন্য ভাইয়েরা।

কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ওসি ফেরদাউস হোসেন জানান, প্রথমে অজ্ঞাত হিসেবে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পরে তার প্যান্টের পকেটে থাকা ভিজিটিং কার্ড থেকে স্বজনদের খবর দেয়া হলে তার ছোট ভাই এসে মরদেহ শনাক্ত করেন।

তিনি আরো জানান, কয়েকদিন পানিতে থাকায় মরদেহে পচন ধরে ফুলে গেছে। ফলে আঘাতের চিহ্ন আছে কিনা বোঝা যাচ্ছে না। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, হত্যার পর পরই গুমের উদ্দেশে দুর্বৃত্তরা মরদেহটি নদীতে ফেলে গেছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এলে তার মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে।



সংবাদটি 455 বার পঠিত :::: সংবাদটি ভাল লাগলে লাইক বাটনে ক্লিক করুন
0Shares
Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সর্বশেষ