স্পেশাল

বন্ধ হয়ে গেল “নড়বড়ে” রাতারগুল ওয়াচ টাওয়ার

প্রকাশিত: ৪:৪৯ পূর্বাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২২, ২০২০

বন্ধ হয়ে গেল “নড়বড়ে” রাতারগুল ওয়াচ টাওয়ার

 সানডে সিলেট ডেস্ক

সপ্তাহখানেক আগে সিলেট রাতারগুল ওয়াচটাওয়ার ঝুকিপুর্ন জানিয়ে এতে  উঠানামা না করতে নির্দেশিকা টানায় বন বিভাগ। কিন্তু কে শোনে কার কার কথা। আদেশ অমান্য করেই এতে চড়ছিলেন পর্যটকরা। তবে শেষ পর্যন্ত জলাবন রাতারগুলের ‘ওয়াচটাওয়ার’ নড়বড়ে হয়ে উঠেছে মর্মে ওঠানামা পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এ জন্য রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) থেকে টাওয়ারে ওঠার মুখে বেড়া দিয়ে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করেছে বন বিভাগ । এমতাবস্থায় রাতারগুল বেড়াতে আসা পর্যটকরা ওয়াচটাওয়ারে উঠার কোন সুযোগ পাচ্ছেন না আর।

 

কোভিড মহামারীতে প্রায় ছয় মাস রাতারগুলে পর্যটকদের আনাগোনা বন্ধ ছিলো। তখনই ওয়াচ টাওয়ারটির নড়বড়ে অবস্থা পরিলক্ষিত হয়। সম্প্রতি পর্যটকদের যাতায়াত শুরু হলে ওয়াচটাওয়ারে ওঠানামার ক্ষেত্রে সতর্কতার একটি নির্দেশিকা সেখানে সাঁটানো হয়। কিন্তু এ নির্দেশনা না মেনে একসঙ্গে একাধিক পর্যটক সেখানে ওঠানামা করায় দুর্ঘটনার আশঙ্কা থেকে পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

 

রাতারগুল বাংলাদেশের একমাত্র সমৃদ্ধ জলার বন। সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নে অবস্থিত রাতারগুল জলাবনটিকে ১৯৭৩ সালে সংরক্ষিত ঘোষণা করে বন বিভাগ। প্রাকৃতিকভাবে বেড়ে ওঠা হিজল-করচ-বরুণগাছের পাশাপাশি বেত, ইকরা, খাগড়া, মূর্তা ও শণজাতীয় গাছ রাতারগুলকে জলার বন হিসেবে অনন্য করেছে।

 

বনে ৭৩ প্রজাতির উদ্ভিদের সঙ্গে ২৫ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণী, ২০ প্রজাতির সরীসৃপ, ১৭৫ প্রজাতির পাখি ও ৯ প্রজাতির উভচর প্রাণীর অস্তিত্ব রয়েছে। এই জীববৈচিত্র্য রক্ষায় জাতীয় উদ্যান পরিকল্পনার আওতায় ওয়াচটাওয়ার নির্মাণসহ কিছু অবকাঠামোগত উন্নয়ন হয়। এ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ২০১৪ সালে রাতারগুলে ওয়াচটাওয়ারটি নির্মাণ করা হয়।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বশেষ

ই-মেইল :Sundaysylhet@Gmail.Com
মোবাইল : ০১৭১১-৩৩৪২৪৩ / ০১৭৪০-৯১৫৪৫২ / ০১৭৪২-৩৪৬২৪৪
Designed by ওয়েব হোম বিডি