বঙ্গবন্ধুকে সাহস ও প্রেরণা যুগিয়েছিলেন বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিবঃ অধ্যাপক ডা. মোর্শেদ  চৌধুরী

প্রকাশিত: ৪:০৯ অপরাহ্ণ, আগস্ট ৮, ২০২১

বঙ্গবন্ধুকে সাহস ও প্রেরণা যুগিয়েছিলেন বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিবঃ অধ্যাপক ডা. মোর্শেদ  চৌধুরী

সানডেসিলেটঃ সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ডা. মোর্শেদ আহমেদ চৌধুরী বলেছেন- মহিয়ষী বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব এমনই একজন নারী যিনি স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় তার স্বামী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে বটবৃক্ষের ছায়ায় প্রশান্তি, সাহস ও প্রেরণা যুগিয়েছিলেন।

 

তিনি বলেন- দেশের স্বাধীনতার জন্য তিনি জাতির পিতার সঙ্গে একই স্বপ্ন দেখতেন। এ দেশের মানুষ সুন্দর জীবন পাক, ভালভাবে বাঁচুক এই প্রত্যাশা নিয়েই তিনি বাঙালির অধিকার আদায়ের সংগ্রামে সবসময় ছিলেন সজাগ এবং দূরদর্শী। তাইতো একজন সাধারণ বাঙালি নারীর মতো স্বামী-সংসার, আত্মীয়-স্বজন নিয়ে ব্যস্ত থাকলেও বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা সংগ্রাম, মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীনতার পর দেশ পুনর্গঠনে তিনি অনন্য ভূমিকা রেখে গেছেন।

রবিবার(৮ আগস্ট)  সকালে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৯১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 

এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের চৌহাট্টাস্থ ক্যাম্পাসে কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিয়ে বঙ্গমাতার অস্থায়ী প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ডা. মোর্শেদ আহমেদ চৌধুরী। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফারেন্স রুমে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতাসহ ১৫ই আগস্টের সকল শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া পরিচালনা করেন কাজলশাহ জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা শহীদ আহমদ।

 

এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অ.দা.) ও পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) মো. নঈমুল হক চৌধুরী, সহকারী পরিচালক (হিসাব) আব্দুস সবুর, সহকারী পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) গোলাম সারোয়ার, সহকারী কলেজ পরিদর্শক মাইদুল ইসলাম চৌধুরী, সহকারী পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বিলাল আহমদ চৌধুরী, সহকারী রেজিস্ট্রার অঞ্জন দেবনাথ, সহকারী পরিচালক (বাজেট) শমশের রাসেলসহ অন্যান্য সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বশেষ