জিয়ার লাশের নামে বাক্স সাজিয়ে-গুছিয়ে আনা হয়েছিল: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত: ১১:৩৯ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২১

জিয়ার লাশের নামে বাক্স সাজিয়ে-গুছিয়ে আনা হয়েছিল: প্রধানমন্ত্রী

জিয়াউর রহমানের লাশের নামে চট্টগ্রাম থেকে একটি বাক্স সাজিয়ে-গুছিয়ে আনা হয়েছিল বলে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ওই বাক্সে জিয়াউর রহমানের লাশ ছিল না, এ বিষয়টি বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর শওকত ও তৎকালীন সেনাপ্রধান মরহুম রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ স্বীকার করেছেন।

 

 

বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) একাদশ জাতীয় সংসদের চতুর্দশ অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জিয়াউর রহমানের কবর নিয়ে কথা উঠছে। আমি এ বিষয়ে আর কিছু বলতে চাই না। ৪০ বছর পরে নয়, জিয়ার মৃত্যুর সংবাদের পরে তার লাশ খুঁজে পাওয়া যায়নি। গায়েবানা জানাজা হয়েছিল। কয়েকদিন পরে একটি বাক্সো আনা হলো। এখানে কেউ একটা বুদ্ধি দিয়েছে আর জেনারেল এরশাদ তো এই বিষয়ে বেশি পারদর্শী। সাজিয়ে-গুজিয়ে একখানা বাক্সো নিয়ে এসে দেখানো হয়েছিল।

 

তিনি বলেন, তখন এ পার্লামেন্টে বারবার প্রশ্ন এসেছে, যদি লাশ পাওয়া যায় তার ছবি থাকবে না কেন? লাশ শনাক্ত করেছিল মীর শওকত। মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তাকে চিনতাম। আমি তাকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম সত্যি কথা বলেন তো? বলেছিলেন, লাশ কোথায় পাবো? জেনারেল এরশাদ সাহেবকে আমি বললাম, আপনি যে একটা বাক্স আনলেন? লাশটা কই? আমাকে তিনি বললেন, বোন লাশ পাব কোথায়? আর কী বলব।

 

 

শেখ হাসিনা বলেন, জিয়াউর রহমান মুক্তিযোদ্ধা, বঙ্গবন্ধু তাকে খেতাব দিয়েছেন। তা সবই সত্য। কিন্তু তার অবদানটা কী? মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে কর্নেল আসলাম বেগ তাকে চিঠি লিখেছিলে। ওই চিঠি আমার কাছে আছে। এই সংসদে সেটা তুলে ধরব। সংসদের প্রসেডিংসের পার্ট হয়ে থাকা দরকার। কর্নেল আসলাম বেগ মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে জিয়াকে একটি চিঠি দেয়। সেই চিঠিতে সে লিখেছিলে আপনি খুব ভালো কাজ করছেন। আমরা আপনার কাজে সন্তুষ্ট। আপনার স্ত্রী-পুত্রকে নিয়ে চিন্তা করবেন না। আপনাকে ভবিষ্যতে আরো কাজ দেওয়া হবে।

 

 

তিনি আরো বলেন, ‘১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার সঙ্গে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান জড়িত ছিলেন। এটি স্পষ্ট। এতে কোনো সন্দেহ নেই। জিয়া যে ষড়যন্ত্রের সঙ্গে জড়িত ছিল, সেটা ফারুক-রশিদরাই বিবিসির ইন্টারভিউতে বলেছে। অ্যান্থনি মাসকারেনহাসের বইতে আছে, লরেন্স লিফশুলজের বইতে আছে- কীভাবে অস্বীকার করবে?’

 

 

প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা মামলায় জিয়াউর রহমানকে আসামি করতে চেয়েছিলাম। ওই সময় হোম সেক্রেটারি ছিলেন রেজাউল হায়াত। তিনি আমাকে বললেন, মৃত মানুষকে তো আসামি করা যায় না। সেজন্য তাকে আসামি করা হয়নি। আমার মনে হয়, মামলায় জিয়ার নামটা থাকা উচিত ছিল। জিয়ারউর রহমান খুনিদের পুরস্কার হিসেবে বিদেশি দূতাবাসে অ্যাম্বাসেডর করেছে। আর খালেদা জিয়া খুনিদের আরেক দফা উপরে তুলে দিয়েছে। সে খুনিদের এই সংসদে বিরোধীদলের আসনে বসিয়েছে।

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জিয়াউর রহমানের কবর নিয়ে কথা উঠছে। আমি এ বিষয়ে আর কিছু বলতে চাই না। ৪০ বছর পরে নয়, জিয়ার মৃত্যুর সংবাদের পরে তার লাশ খুঁজে পাওয়া যায়নি। গায়েবানা জানাজা হয়েছিল। কয়েকদিন পরে একটি বাক্সো আনা হলো। এখানে কেউ একটা বুদ্ধি দিয়েছে আর জেনারেল এরশাদ তো এই বিষয়ে বেশি পারদর্শী। সাজিয়ে-গুজিয়ে একখানা বাক্সো নিয়ে এসে দেখানো হয়েছিল।

 

তিনি বলেন, তখন এ পার্লামেন্টে বারবার প্রশ্ন এসেছে, যদি লাশ পাওয়া যায় তার ছবি থাকবে না কেন? লাশ শনাক্ত করেছিল মীর শওকত। মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তাকে চিনতাম। আমি তাকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম সত্যি কথা বলেন তো? বলেছিলেন, লাশ কোথায় পাবো? জেনারেল এরশাদ সাহেবকে আমি বললাম, আপনি যে একটা বাক্স আনলেন? লাশটা কই? আমাকে তিনি বললেন, বোন লাশ পাব কোথায়? আর কী বলব।

 

শেখ হাসিনা বলেন, জিয়াউর রহমান মুক্তিযোদ্ধা, বঙ্গবন্ধু তাকে খেতাব দিয়েছেন। তা সবই সত্য। কিন্তু তার অবদানটা কী? মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে কর্নেল আসলাম বেগ তাকে চিঠি লিখেছিলে। ওই চিঠি আমার কাছে আছে। এই সংসদে সেটা তুলে ধরব। সংসদের প্রসেডিংসের পার্ট হয়ে থাকা দরকার। কর্নেল আসলাম বেগ মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে জিয়াকে একটি চিঠি দেয়। সেই চিঠিতে সে লিখেছিলে আপনি খুব ভালো কাজ করছেন। আমরা আপনার কাজে সন্তুষ্ট। আপনার স্ত্রী-পুত্রকে নিয়ে চিন্তা করবেন না। আপনাকে ভবিষ্যতে আরো কাজ দেওয়া হবে।

তিনি আরো বলেন, ‘১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার সঙ্গে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান জড়িত ছিলেন। এটি স্পষ্ট। এতে কোনো সন্দেহ নেই। জিয়া যে ষড়যন্ত্রের সঙ্গে জড়িত ছিল, সেটা ফারুক-রশিদরাই বিবিসির ইন্টারভিউতে বলেছে। অ্যান্থনি মাসকারেনহাসের বইতে আছে, লরেন্স লিফশুলজের বইতে আছে- কীভাবে অস্বীকার করবে?’

 

 

প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা মামলায় জিয়াউর রহমানকে আসামি করতে চেয়েছিলাম। ওই সময় হোম সেক্রেটারি ছিলেন রেজাউল হায়াত। তিনি আমাকে বললেন, মৃত মানুষকে তো আসামি করা যায় না। সেজন্য তাকে আসামি করা হয়নি। আমার মনে হয়, মামলায় জিয়ার নামটা থাকা উচিত ছিল। জিয়ারউর রহমান খুনিদের পুরস্কার হিসেবে বিদেশি দূতাবাসে অ্যাম্বাসেডর করেছে। আর খালেদা জিয়া খুনিদের আরেক দফা উপরে তুলে দিয়েছে। সে খুনিদের এই সংসদে বিরোধীদলের আসনে বসিয়েছে।

 

 

 

সংবাদটি শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বশেষ